যা জানলে আজই মেসেঞ্জার ছাড়বেন!

Please log in or register to like posts.
আর্টিক্যাল

ব্যক্তিগত তথ্য নেয়া ও বিনিময় করার সম্মতি সংক্রান্ত হোয়াটসঅ্যাপের সাম্প্রতিক নীতিমালা নিয়ে অনেকেই আপত্তি তুলেছেন।

এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ আর ব্যবহার করবেন না বলেও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। অথচ ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপত্তায় এর চেয়েও বড় ঝুঁকি মেসেঞ্জার নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না!

ফেইসবুকের মালিকানাধীন অ্যাপ সেবা হোয়াটসঅ্যাপের চেয়েও মেসেঞ্জার বেশি ঝুঁকিপূর্ণ–এ সংক্রান্ত তথ্যাদিসহ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে এমন সব তথ্য উঠে এসেছে, যা জানলে কোনো সচেতন ব্যক্তি আর কখনো ফেইসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করবেন না, আজই ছেড়ে দেবেন!

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারকারীদের তথ্যকে পুঁজি করেই ফেইসবুক চলছে। প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক অনেক কাজের মূল সম্বলই হলো ব্যবহারকারীদের তথ্য বা ডেটা। ব্যবহারকারীরা ফ্রি-ফ্রি সেবা পাচ্ছে ঠিকই, তবে গোপনে ব্যবহারকারীদের এই তথ্য দিয়েই বাণিজ্যিক ফায়দা তুলে নিচ্ছে ফেইসবুক।

ফেইসবুক ও এর সংযুক্ত বার্তা বিনিময় অ্যাপ মেসেঞ্জারে আমরা যা কিছুই করছি বা সংরক্ষণ রাখছি, এর সবই তারা নিজেদের বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। সব কিছুরই একটা সীমা থাকা উচিত! এর আগেও বড় বড় টেক জায়েন্ট কর্তারা ফেইসবুকের প্রাইভেসি বা গোপনীয়তার নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু একরোখা ফেইসবুক নিজেদের অবস্থান খুব একটা নড়চড় করেনি।

সম্প্রতি প্রাইভেসিকাণ্ডে হোয়াটসঅ্যাপ ও তাদের মালিকানা প্রতিষ্ঠান ফেইসবুকের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী হৈচৈ শুরু হয়ে গেছে। এর জের ধরে ফেইসবুকের নানা অনিয়ম ও অসততা নিয়ে জোরালোভাবে তথ্য-প্রতিবেদন প্রকাশ পাচ্ছে। প্রতিদিন লাখ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহক বিকল্প অ্যাপ সিগনাল ও টেলিগ্রামে চলে যাচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ চলমান বিপর্যয় সামলাতে না পারলে কিংবা ধরাশায়ী হলে এর নেতিবাচক প্রভাব নিশ্চিতভাবেই ফেইসবুকের মেসেঞ্জারের ওপরও পড়বে। আর লোকজন ভালো কোনো বিকল্প পেয়ে গেলে ফেইসবুক-মেসেঞ্জারে গিয়ে খামোখা প্রাইভেসি খোয়াতে যাবে কেন?

 

সোর্সঃ টেক শহর

এডিটর'স চয়েস

Reactions

0
0
0
0
0
0
Already reacted for this post.

কেউ পছন্দ করেনি!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।